কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: রবিবার, ৩ মে, ২০২৬ এ ১২:০৩ PM
কন্টেন্ট: জীবন বৃত্তান্ত

মীরশাহে আলম বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদীদল (বিএনপি)’র একজন রাজনীতিবিদ।তিনি বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনথেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য এবংবর্তমানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়েরপ্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে নিয়োজিত।
ব্যক্তিগতও পারিবারিক জীবন
মীরশাহে আলম ১৯৭০ সালের৭ আগস্ট বগুড়া জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বগুড়ার শিবগঞ্জেবেড়ে ওঠেন। এই অঞ্চলের সঙ্গেতাঁর গভীর ও নিবিড়সম্পর্ক গড়ে ওঠে, যাপরবর্তীতে তাঁর রাজনৈতিক জীবনেরমূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে।
তিনিমোছাঃ রাজেনা বেগম ও প্রয়াত মীর মোজাফফর রহমানেরছয় সন্তানের মধ্যে পঞ্চম । তাঁর সহধর্মিণীমীর লাবণী আক্তার। তাদের দুই পুত্র—মীরশাকরুল আলম সিমান্ত ওমীর সাকলাইন আলম দিগন্ত এবংএক কন্যা মীর সামারা সুনাতকায়নাত।
তাঁরপরিবারের রাজনীতির সাথে দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততারয়েছে । চাচা মীরআবু জাকের মাকু, বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার আটমূল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালনকরে আসছেন। বড় ভাই মীরআইনুর রহমানও দীর্ঘদিন শিবগঞ্জ পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি হিসেবে সক্রিয় রয়েছেন।। পারিবারিক এই ধারাবাহিকতা পরবর্তীপ্রজন্মেও অব্যাহত রয়েছে—বড় ছেলে মীরশাকরুল আলম সিমান্ত শিবগঞ্জউপজেলা বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁরসহধর্মিণীও ঢাকা ও বগুড়াতেবিভিন্ন সমাজসেবামূলক কার্যক্রমে নিয়োজিত আছেন। পাশাপাশি, তাঁর সহধর্মিণী ঢাকাও বগুড়ায় বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে আসছেন, যাপরিবারটির সামগ্রিক সামাজিক সম্পৃক্ততাকে আরও সুদৃঢ় করেছে।
শিক্ষাও ছাত্ররাজনীতি
মীরশাহে আলম শিবগঞ্জ এম.এইচ. কলেজে অধ্যয়নকরেন। পরবর্তীতে তিনি এম.বি.এ সম্পন্ন করেন।
১৯৮৯সালে বিএনপির সহযোগী সংগঠন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলে যোগদানের মাধ্যমে ছাত্ররাজনীতিতে তাঁর পথচলা শুরু।পরবর্তীতে ১৯৯১ সালে উপজেলাছাত্রদলের সম্পাদক এবং ১৯৯২ সালেজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
রাজনৈতিক জীবন
১৯৯৭সালে মাত্র ২৩ বছর বয়সেআটমূল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার মধ্য দিয়ে তিনিপ্রাতিষ্ঠানিক রাজনৈতিক জীবনের শুভসূচনা করেন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) অভ্যন্তরে তিনি ধাপে ধাপেগুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করেছেন:
২০২৬সালে তিনি বগুড়া-২আসন থেকে সংসদ সদস্যনির্বাচিত হওয়ার মাধ্যমে তাঁর রাজনৈতিক জীবনেএক অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করেন। এই সাফল্যের ধারাবাহিকতায়পরবর্তীতে তিনি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়েরপ্রতিমন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত হন।
উল্লেখযোগ্য অবদান
সাফল্যমণ্ডিতরাজনৈতিক ক্যারিয়ারের পাশাপাশি তিনি একজন সফলউদ্যোক্তা এবং রূপসী বিডিগ্রুপের চেয়ারম্যান। তাঁর ব্যবসায়িক কার্যক্রমএগ্রো, নিউট্রিশন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনাসহবিভিন্ন খাতে বিস্তৃত, যাঅর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।
জনসেবামূলককর্মকাণ্ডেও তিনি সমানভাবে সক্রিয়।তিনি বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন (বিআরটিসি)-এর পরিচালক হিসেবেদুই দফায় দায়িত্ব পালনকরেছেন। পাশাপাশি, বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পকর্পোরেশন (বিসিক)-এর পরিচালক হিসেবেওদায়িত্ব পালন করে শিল্পখাতেরউন্নয়নে ভূমিকা রেখেছেন।
সমাজউন্নয়নের ক্ষেত্রে শিক্ষা ও ক্রীড়াকে তিনিবিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। এইলক্ষ্য বাস্তবায়নে তিনি নিজ এলাকায়একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মাদ্রাসা, এতিমখানা ও ক্রীড়া কেন্দ্রপ্রতিষ্ঠা ও পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন।এসব উদ্যোগ তৃণমূল পর্যায়ে শিক্ষা বিস্তার, সামাজিক কল্যাণ এবং তরুণ প্রজন্মেরসুস্থ শারীরিক ও মানসিক বিকাশেউল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করছে।